ছোটবেলা থেকেই পদার্থ বিজ্ঞান সাবজেক্টটা কঠিন লাগত। নিউটন যতটা সহজে আপেল গাছের নীচে বসে আপেল পড়ার ঘটনা নিয়ে মহাকর্ষ আর অভিকর্ষের সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন ঠিক ততটা সহজে এই বিজ্ঞানের ভাষা আয়ত্ত করা যেতো না। আয়ত্ত করা যেতো না বললে ভুল বলা হবে বরং বলা ভালো আকর্ষণ করতো না এই বিজ্ঞান তেমন একটা। বিজ্ঞান এমন একটা জিনিস যা সবকিছু নিয়ে আর সবকিছু দিয়ে গঠিত হয়। মানে আপনি চাইলে এক জ্ঞান থেকে ধারণা নিয়ে আরেক জায়গায় প্রয়োগ করতে পারবেন আর সেই কারণেই এর নাম বিজ্ঞান, বিশদ আর বিশেষ ভাবে বিশ্লেষণ যেই জ্ঞান থাকলে করা যায়। তো সময়জ্ঞান পদার্থ বিজ্ঞানের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময় এর সাথে আর সময়কে নিয়ে সব ঘটনার আবর্তন, বিবর্তন বা ঘুর্ণন। সময়কে কেন্দ্র করে সংঘটিত হচ্ছে সব। তাই সময়ের দাম আছে, মাত্রা আছে আর আছে একক। এতকিছু থাকার পরেও মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা সময় নিয়ে সচেতন না আর তা না থাকার কারণে আমরা সময়কে ঠিক সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারিনা। সময়ের কাজ সময়ে করতে পারিনা আর তাই ক্রিয়া তার কর্তৃত্ব হারাচ্ছে আর কর্ম হারাচ্ছে ফল। এভাবে জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে জীবনের অনেক মাত্রা, হারি...