একটা উঠান, উঠানের মাঝখানে চাটাই পাতা। সেইখানে শুয়ে আছে আমার জন্মদাতা, আমার বাবা। অনেক বছর আগে, ঠিক এভাবেই শেষ দেখেছিলাম আমার ঠাকুরমাকে বাবার মতোই শুয়ে ছিলো নিথর দেহে, নিষ্প্রাণ হয়ে। সেদিন আমি অবুঝ ছিলাম বেদনার বোধ ছিলোনা আমাতে সবার কান্না দেখে কেঁদে যাওয়া, কিন্ত আজ, বুকের মাঝে পাহাড়সম কষ্টের বুঝা, নিরবিচ্ছিন্ন জলপ্রপাতে হালকা হবার চেষ্টা। কিন্ত কিভাবে, কেমন করে ভুলে যাই? সেই আঙ্গুল, যার অবলম্বনে হাঁটতে শেখা, মেরুদন্ড দাঁড় করিয়ে মানুষ হওয়া। বাবার শরীর আজকে হীম শীতল, নিথর - শান্ত মনে শয্যাশায়ী, মনের মধ্যে বাবা হারানোর চির অশান্তির আগুন, মাঝে মাঝে বিশ্বাস না করলেও করে নিতে হয়, বাবা হারানোর ব্যথা আমরণ বয়ে বেড়াতে হয়।