ছিলো ভাবে ভরা দুটি আঁখি চঞ্চল। তুমি বাতাসে উড়ালে ভীরু অঞ্চল।" আজকাল মাথার মধ্যে কথা তেমন আসেনা। আশেপাশে বইয়ে কিংবা মোবাইলে অনেককিছু পড়া হয়, লিখে রাখতে ইচ্ছা হয় অনেককিছু কিন্তু তারপরও লিখতে বসলে হাত অসাড় হয়ে যায়, মনের ডিকশনারি শব্দ শূন্য হয়ে যায়। চোখের সামনে মরুর বুক ভেসে আসে, তপ্ত বালির বুকে শুধুই খাঁ খাঁ করা শূন্যতা। চারপাশ তাকিয়ে দেখলে দুই এক জায়গা বাদে কোথাও নেই সবুজের অস্তিত্ব। মনের মধ্যে ঠিক এমন খালি আর অনুর্বর একটা জায়গার অস্তিত্ব আজকাল টের পায় আপন। উষ্ণ ছুটির দুপুরে ফ্লোর বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে সে। খুব দূরে দৃষ্টি দিয়ে এই শহরে কিছু দেখা যায়না, চোখের সামনেই প্রতিবেশীর বাসন কোসন এর টুং টাং শব্দ বা দাঁড়িয়ে আছে গায়ে মস মাখিয়ে সময়ের প্রবাহে বিবর্ণ দেয়াল। উপরে একটুখানি আকাশ আর তার বুকে দানা দানা মেঘ, বৃষ্টির একটা আভাস থাকলেও হওয়ার মধ্যে সেই আভাস নেই। গরম একটা বাতাস চারপাশ ভারী করে বসে আছে। বালিশের পাশে থাকা মোবাইল থেকে ভেজে যাচ্ছে ‘আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি, আর মুগ্ধ এ চোখে চেয়ে থেকেছি। "কেন যামিনী না যেতে জাগালে না, বেলা হল মরি...