Skip to main content

বন্দনা

 কত সহজ করে কত কিছু চাওয়া হয় 

কিন্ত পাওয়া টা কি ততই সহজ হয়? 

আমার মনে হয় হয় না

চাওয়া সহজ হলে হোক 

কিন্ত পাওয়া কঠিন না হলে 

যা সহজে পাওয়া গেছে তা সহজে হারিয়ে ফেলতে পারে গুরুত্ব। 

তেমনি আমি তোমাকে সহজ করে চেয়েছিলাম 

যেমনটা ছোট্ট শিশু কান্না করলেই পেয়ে যায় মায়ের কোল। 

চাওয়াটা সহজ ছিলো পবিত্র ছিলো

কিন্ত পাওয়াটা কঠিন হবে আমি জানতাম। 

প্রস্তুত ছিলাম হয়ত তাই, 

মেনে নিতে পেরেছি তোমার নিরবতা 

আমার প্রতি তোমার অবহেলা। 


তুমি প্রশ্ন করেছিলে এত সহজে প্রেমে পড়া যায়? 

বলেছিলাম প্রেমে পড়া সহজ কিন্ত প্রেম পোক্ত করা কঠিন। 

সবাই প্রেমে পড়ে কিন্ত লাইলী কিংবা মজনু কজন হতে পারে? 

ভেবে দেখেছো কি? 


থাক অত কিছু ভাববার দরকার নাই

শুধু ভেবো কাউকে ভালোবাসতে গেলে ভালোবাসা যায়, 

ভালোবাসা থাকলে আপন করা যায়,

যেমনটা আপন করে দূর্বা ঘাস ভোরের শিশির। 

তেমনটা আপন আমি তোমায় ভেবেছিলাম

তুমিও ভেবো আমায় 

ক্ষণিকের হলেও হবে।


সূর্যের উদয়ে আমি ঝরে যাবো 

তোমাকে দিয়ে যাবো একরাশ সজীবতা।

Comments

Popular posts from this blog

খামবন্দী মুহূর্ত

তোলা থাক মান-অভিমান, তোলা থাক বাক্সবন্দি কিছু স্বপ্ন, তোলা থাক রাজ্য জুড়ে তোমার নামে বয়ে যাওয়া মাতাল হাওয়া, তোলা থাক মরীচিকার বুকে ভেসে ওঠা তোমার অস্তিত্ব। তোলা থাক কলম, ফুরিয়ে যাক কালি, তোমার নামে লেখা ছোটগল্প, খামবন্দি চিঠির সারি। তোলা থাক গায়ে গা লাগানো, জ্যাম ঠেলে ছুটে চলা রিকশা, তোলা থাক অসমাপ্ত গানের লাইন, চোখে জমে থাকা নির্বাক কথামালা। তোলা থাক রাস্তার মোড়ে একটি নামের প্রতিধ্বনি— যেখানে সময় থমকে দাঁড়ায় তোমার অপেক্ষায়। তোলা থাক সবকিছু, তোলা থাক— যতদিন না জেগে ওঠে ঘুমন্ত শহর তোমার পদধ্বনিতে।

প্রতীক্ষা

  আমি দাঁড়িয়ে আছি, ঠিক সেখানেই যেখানে তুমি শেষবার দেখে গিয়েছিলে। নড়বড়ে মন তোমার— কাছে আসো, আবার ক্ষণিকেই দূরে সরে যাও। এমনটা কি ঠিক হবার ছিল? তুমি হয়তো হেঁটে যাবে সেই পথেই, হয়তো এড়িয়ে যাওয়ার গল্প আরও ভিড় জমাবে। হয়তো স্মৃতিগুলো অপুষ্টিতে ভুগবে, ঘুরে ফিরবে রাস্তায় রাস্তায়— এক মুঠো সময়ের জন্য। সে সময় হবে কি তোমার?

নাম না জানা কোন এক গল্প।

১৪ তারিখ, শুক্রবার। ছুটির দিনে কিছুটা ফাঁকা শহরে একা একা হাঁটছে আপন। শাখারি বাজারের সরু গলি দিয়ে যদিও হেঁটে যাওয়া খুব সহজ কাজ না তারপরও ছুটির দিন আর রোজার দিন হওয়াতে তার সাথে দেশের চলমান অস্থির পরিবেশে কেউ সুস্থিরভাবে বাইরে বের না হবার কারণেই হয়ত লোকজন এখানে এখনও কম।এই পরিস্থিতিতে হাঁটতে হাঁটতে একটা শাখা আর সিদুরের দোকানের সামনে দাঁড়াল আপন। ছোট্ট একটা দোকান কিন্তু সাজানো গুছানো আর সেখানে পরিপাটি সেজে বিশাল দাড়ির সমাহার নিয়ে দোকানের মালিক বসে আছে। লম্বা দাড়ির দিকে চোখ বুলাতে মনে হলো নানান রঙের বাহারে বাহারিত হইয়া আছে তার লম্বা দাড়ি। ঐতিহ্য কে ধরে আর ধারণ করে রাখার চেষ্টা, রঙের ঐতিহ্য, হোলির রং। কিন্তু প্রশ্ন হলো অনেক চাওয়ার পরেও কেউ কিছু ধরে রাখতে পারছে কি? আস্তে আস্তে হাত ফসকে কত কিছু বেরিয়ে যাচ্ছে সেই খেঁয়াল আছেই বা কজনের?  সে যাই হোক এখানে না আসলে আজকে যে হলি ছিলো তা বুঝত না সে।  এখনও যে এই শহরে একটু রং মৃদু বাতাসে উড়ে বেড়ায় তা এখানে না আসলে ইনস্টার রিল দেখে বুঝে নিতে হত। চারদিকে সারা সকাল আর দুপুরের ব্যস্ত রং ক্লান্ত হয়ে ঝিমুচ্ছে এখানে সেখানে রাস্তায় বা রাস্ত...