স্বাধীনতা দিবসে একটা স্বাধীন চিন্তা মাথায় এলো। গ্রামের সবুজ ধানক্ষেতের পাশে বসে, পড়ন্ত বেলার নরম আলো গায়ে মেখে, খালি ও খোলা মাথার কিছু ভাবনা। পাশের ধানগাছের পাতায় জমে থাকা ছোট ছোট শিশিরবিন্দুগুলো যেন হারিয়ে যাওয়া জোনাকির আলোর স্মৃতি ধরে রেখেছে। এক ধরনের শান্ত, নির্মল পরিবেশ, যেখানে স্বাধীনতা অনুভব করা যায়, বলা লাগে না। কিন্তু শহরে ঢুকতেই সেই অনুভূতিটা কোথায় যেন হারিয়ে যায়। দিনের গরমে সচিবালয়ের সামনে দিয়ে আসার সময় চোখে পড়ে সারি সারি পোস্টার। সেখান থেকেই মনে পড়ে, আজ স্বাধীনতা দিবস। মনে করিয়ে দেওয়ার এই পদ্ধতিটা আগে যেমন বিরক্তিকর ছিল, এখনও তেমনই আছে। কারণ পোস্টারগুলো স্বাধীনতার কথা বলে, কিন্তু স্বাধীনতার অনুভূতিটা কোথাও থাকে না বা আদতেই থাকে কি? আমরা চাইলে অন্য কিছু করতে পারতাম। একটা জার্নি ম্যাপ করা যেত, যেখানে স্বাধীনতার পথচলা দৃশ্যমান হতো। শহরের দেয়ালগুলো কিছুদিনের জন্য স্বাধীনতার রঙে রাঙিয়ে রাখা যেত। অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি হতে পারত, যেখানে মানুষ থামত, ভাবত, অনুভব করত। কিন্তু তার বদলে যা হয়, রাস্তাজুড়ে শুভেচ্ছা, ক্ষমতাসীন দলের অমুক তমুকের নামে। স্বা...