আমাদের মধ্যে স্বাভাবিক জিনিস অস্বাভাবিক ভাবে দেখার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। যেমন স্বাভাবিক ভাবে দেখা একটা সবুজ নারিকেল সবুজ থাকলেই আর যথেষ্ট হচ্ছেনা। তাকে বেগুনি করতে হবে, কখনো লাল, কখনো নীল। কারণ, এটি এখন আর শুধু একটা নারিকেল নয়; একটা কনটেন্ট। আর স্বাভাবিক জিনিসকে কন্টেন্টের নামে অস্বাভাবিক করে তোলার মধ্যে আমাদের এক ধরনের কৌতূহল, বা উচ্ছ্বাস কাজ করে। কিন্তু নারিকেলের গায়ে বেগুনি, লাল কিংবা নীল রং লাগালেই তো তার প্রকৃতি বদলে যায় না। তার ভেতরের জল, তার স্বাভাবিকতা, তার প্রকৃতি প্রদত্ত সত্তা একই থেকে যায়। বদলায় শুধু আমাদের দেখার পদ্ধতি। আর সমস্যার শুরু সেখানেই। আমরা ক্রমেই স্বাভাবিক জিনিস আর স্বাভাবিকভাবে দেখছি না। প্রকৃতির রূপ আর রং যথেষ্ট মনে হচ্ছেনা আমাদের কাছে, তাই তাকে পরিবর্তন করে কত্রিমতার আশ্রয়ে নতুন রূপে রাঙ্গিয়ে দিচ্ছি। স্বাভাবিক ঘটনা যথেষ্ট উত্তেজক নয়, তাই তাকে নাটকীয় করে তুলছি। সাধারণ জীবন যথেষ্ট আকর্ষণীয় নয়, তাই তার চারপাশে কৃত্রিমতা তৈরি করছি। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উত্তেজকের আসনে বসে আমাদের উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। কৌতুহল মানুষের স্বাভাবিক প্র...